ভোলায় বিদ্যুত্ সঙ্কটে ইলিশ সংরক্ষণে দুরবস্থা

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২০
জেলার পাঁচ উপজেলায় বিদ্যুত্ বিপর্যয়ের কারণে বরফ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে ইলিশ সংরক্ষণ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুত্ থাকে মাত্র ৪ ঘণ্টা। এতে যে সামান্য পরিমাণ বরফ উত্পন্ন হয় তা প্রতি ক্যান বিকিকিনি হয় ৪/৫ গুণ বেশি দামে। এ কারণে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ভোলার বাইরে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। পানির দামে তা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে। জেলায় বিদ্যুত্ নির্ভর ৬৮টি বরফকলের মধ্যে চলছে মাত্র ৩২টি। বাকিগুলো বিদ্যুত্ স্বল্পতার জন্য টিমটিম করে চলছে। আগস্ট মাসের ১০ তারিখ ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদনে সক্ষম ভোলার গ্যাস চালিত রেন্টাল বিদ্যুত্ প্লান্টটি বিকল হলে এই অবস্থা। বর্তমানে বরিশাল ও পটুয়াখালী গ্রিড লাইন থেকে মাত্র ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ এনে জেলার ছয় উপজেলা লোডশেডিং করে কোনকরমে চালানো হচ্ছে। এখানে ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ২৫ মেগাওয়াট। কেবল মাছ সংরক্ষণই নয়। বোরহানুদ্দীন, লালমোহন, চরফ্যাশন, দৌলতখান ও তজুমদ্দিন উপজেলায় বিদ্যুত্ স্বল্পতায় মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। মত্স্য ব্যবসায়ীরা জানান, ইলিশ মৌসুমের শেষ পর্যায়ে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় বরফের চাহিদা বেড়েছে পাঁচগুণ। মত্স্য সমিতির কর্মকর্তা আব্দুল খালেক, আড়তদার হাসান, পাইকারি ব্যবসায়ী মাইনুদ্দীন হাওলাদার, সেলিম, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ জানান, এই সময় বরফ স্বল্পতা দুর্ভাগ্যজনক। ভোলা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি সূত্রে জানা গেছে যে, জেলার ছয়টি উপজেলায় তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৬২ হাজার, চাহিদা ১৫ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছে ৪ মেগাওয়াট। কবেনাগাদ রেন্টাল বিদ্যুত্ প্লান্ট চালু হবে তা কেউ বলতে পারে না।