বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য শেষ পর্যন্ত বড় দুটি রাজনৈতিক দল পথ খুঁজে বের করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা। তিনি বলেছেন, মার্কিন সরকারও আশা করে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে যার মধ্য দিয়ে এ দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে। এজন্য আলোচনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত গতকাল বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় বেসরকারিভাবে নির্মিত সামিট পাওয়ার লিমিটেডের বিদ্যুত্ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মাইকেল ট্রিনকিউর।
মজীনা বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যিক প্রবেশপথ। দেশটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক উন্নয়নের মধ্য অবস্থানে রয়েছে। এক সময় এশিয়ার মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার টাইগারে পরিণত হয়েছে। এদেশে প্রচুর খনিজ সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করা হলে দেশ আরো সমৃদ্ধ হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ বেশী প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে মার্কিন সরকার বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
প্রসঙ্গত, সামিট পাওয়ার গ্রুপ মেঘনাঘাট এলাকায় ৩৪৫ মেগাওয়াট উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ করছে; যা আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে উত্পাদনে আসবে। এ কেন্দ্র থেকে ৩৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ জাতীয় গ্রীডে দিতে ইতিমধ্যে সরকারের সঙ্গে এ প্রতিষ্ঠানের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ফ্রান্সের সহায়তায় এ বিদ্যুত্ কেন্দ্র তৈরিতে খরচ পড়ছে প্রায় ৩শ’ মিলিয়ন ডলার।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার, সামিট পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি জেড এ উলিয়াম, সারা ফ্রিউলিংক প্রমুখ।
