বিচারক :আপনার অপরাধ?
অভিযুক্ত ব্যক্তি :আমি আমার ঈদের কেনাকাটা একটু আগেভাগে সেরে ফেলতে চেয়েছিলাম।
বিচারক :কতটা আগে?
অভিযুক্ত ব্যক্তি :জ্বি মানে... দোকান খোলার আগে।
বাবা ছেলেকে, ‘তুই সব সময় এত বেশি বুঝিস কেনরে? তোর কি ধারণা তুই আমার চেয়ে বেশি জানিস? মনে রাখিস আমি কিন্তু তোর বাবা। বাবারা সব সময়ই ছেলেদের চেয়ে বেশি জানে বুঝলি?’
ছেলে :আচ্ছা বাবা, বাষ্পীয় ইঞ্জিন যেন কে আবিষ্কার করেছিল?
বাবা :জেমস ওয়াট। কেন?
ছেলে :তো তার বাবা কেন পারেনি!
মা দেখলো ছেলে গাল চেপে ধরে কাঁদছে। তিনি জানতে চাইলেন, ‘কিরে কাঁদিস কেন?’
ছেলে :বাবা দেয়ালে পেরেক ঠুকতে গিয়ে আঙুলে ব্যথা পেয়েছে।
মা :তো এতে কাঁদার কি আছে? বাবা বড় মানুষ না, এটুকু ব্যথায় তার কিছু হয়?
ছেলে :আমিও তো তাই ভেবে হাসছিলাম। আর সেটা দেখেই বাবা আমাকে মারলো...ই.ই.ই!
একবার ভোলানাথ নতুন গাড়ি কিনে নিজে চালিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় সিগন্যাল বাতি জ্বলে ওঠায় গাড়িতে বসে অপেক্ষা করছিলেন ভোলানাথ। এ সময় ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকে বললেন—‘আচ্ছা মশাই, এ মুহূর্তে ডান দিকে যেতে হলে আপনাকে কত টাকা দিতে হবে?’ ট্রাফিক পুলিশ রেগে বললেন, ‘আপনি তো আচ্ছা লোক হে! আমাকে টাকার কথা বলছেন কেন? একদম জেলে পুরে রাখব কিন্তু।’ ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকে একটি সাইনবোর্ড দেখিয়ে বললেন, ‘আমার কী দোষ, সাইনবোর্ডে তো আপনারাই লিখেছেন ‘ফ্রি লেফট টার্ন’? তা আমি তো সেজন্যই ভাবলাম যে বাঁয়ে যাওয়া যদি ফ্রি হয় তাহলে ডানে যেতে নিশ্চয়ই টাকা লাগবে!’
