ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে দ্বীপ লেমপেডুসার কাছে আফ্রিকান অভিবাসী বহনকারী একটি নৌযান ডুবে কমপক্ষে ১৩০ জন নিহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরো দুই শতাধিক লোক। উপকূলরক্ষীরা একথা জানিয়েছে। নৌযানটতে প্রায় পাঁচশ’ যাত্রী ছিল। এদের সবাই ইতালিতে আশ্রয় পেতে নৌযানে করে সেদেশে যাচ্ছিল।
জানা গেছে, সমুদ্রতীর থেকে আধা মাইল দূরে থাকতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে তারা কোস্ট গার্ডদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এর ওপর ছোট করে আগুন জ্বালায়। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যাত্রীরা হুড়াহুড়ি শুরু করে। এতে নৌযানটি উল্টে যায়। এরপরই পানিতে ডুবে যায় এটি। অনেকে ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিত হয়ে পানিতে ঝাঁপ দেয়। ফলে এখনো নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ। উদ্ধার তত্পরতা চলছে এবং নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।
নিহতের বেশির ভাগই সোমালিয় এবং ইরিত্রিয়ান। এক উপকূলরক্ষী জানিয়েছেন, নৌযানটিতে ৪শ’ থেকে ৫শ’ মানুষ ছিল। এ পর্যন্ত ১৫১ জনকে বাঁচানো গেছে। এটি লিবিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। ইতালির প্রধানমন্ত্রী এনরিকো লেত্তা এক টুইটার বার্তায় এ ঘটনাকে ‘বিরাট ট্রাজেডি’ বলে উল্লেখ করেন। কর্মকর্তারা জানান, সংখ্যা বেশি হওয়ায় উদ্ধারকৃত লাশগুলো একটি বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রসিকিউটাররা বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু এবং অবৈধ অভিবাসনে সহায়তার অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছেন। । উল্লেখ্য, এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে ইতালির সিসিলি উপকূলে যাওয়ার চেষ্টার সময় ১৩ অভিবাসী ডুবে মারা যায়।
