আজ শুক্রবার সরকারি-বেসরকারি ১০৩টি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজ “এমবিবিএস-বিডিএস” কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা দেশের সব কয়টি সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে একই প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজের ৮৬৬২টি আসনের বিপরীতে এবছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ৬৮ হাজার ১৭২ জন প্রার্থী।
একজন কর্মকর্তা জানান, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা বলে একটি চক্র আগের দিন ও রাতে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করে থাকে। এ চক্রটি এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ঐ বাণিজ্যের জন্য সক্রিয়। এ কারণে গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন স্থানে বিশেষ কোচিং সেন্টার এবং মালিকদের নজরদারি ও মনিটরিং করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (মেডিক্যাল এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. এম এ হান্নান ছাত্র-ছাত্রীদের যথাসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ২২টি এবং আসন সংখ্যা ২৮১২টি। ৫৪টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা ৪৮০০টি। সরকারি ৯টি ডেন্টাল কলেজে আসন সংখ্যা ৫৩২টি এবং ১৮টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে আসন সংখ্যা ১০৫০টি।
অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কোন মহল যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সে জন্য এবার গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আগে থেকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একটি মহল প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। এ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়ার জন্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
