হলমার্ক মামলার চার্জশিট রবিবার

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৫
হলমার্ক জালিয়াতির ১১টি মামলার চার্জশিট আগামী রবিবার আদালতে দাখিল করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুদক কমিশন মোট ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ১১ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অনুমোদন করে। অনুমোদনের পর অর্ধমাস ধরে দুদক কর্মকর্তারা অভিযুক্তদের আরেক দফায় যাচাই-বাছাই করায় চার্জশিট আদালতে দাখিল করেনি। আদালতে চার্জশিট দাখিলের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, আগামী সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে দুদক থেকে চার্জশিট আদালতে পাঠানো হবে। কোন কারণে ওই দিন দাখিল করা সম্ভব না হলে পরদিন অর্থাত্ দ্বিতীয় কর্ম দিবসে অবশ্যই চার্জশিট পাঠানো হবে। দুদক সূত্র জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন হয়েছে তারা হলেন, হলমার্কের এমডি মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ। হলমার্ক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. শহিদুল ইসলাম, স্টার স্পিনিং মিলসের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম, টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিয়া, সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. জিয়াউর রহমান, আনোয়ারা স্পিনিং মিলসের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্যারাগন গ্রুপের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক ও সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকার। এছাড়া ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে আসামি হিসেবে রয়েছেন, সোনালী ব্যাংকের হোটেল রূপসী বাংলা শাখার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ব্যবস্থাপক একেএম আজিজুর রহমান, সহকারী উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সাইফুল হাসান, নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন ও সোনালী ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার বর্তমান জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা মেরি। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জিএম অফিসের দুই জিএম ননী গোপাল নাথ ও মীর মহিদুর রহমান (দুজনই ওএসডি), প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক ও আতিকুর রহমান (দুজনই ওএসডি), দুই উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন (সাময়িক বরখাস্ত) ও মো. সফিজউদ্দিন আহমেদ (সাময়িক বরখাস্ত), দুই এজিএম মো. কামরুল হোসেন খান (সাময়িক বরখাস্ত) এবং এজিএম এজাজ আহম্মেদ। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে ফান্ডেড ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৩৪ হাজার ৮৭৭টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল।