হেল্প এইজ ইন্টারন্যাশনালের আলোচনা

প্রবীণদের উপেক্ষা করা যাবে না

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:০২
বাংলাদেশে ২০২০ সালে প্রতি পাঁচজনে একজন হবেন প্রবীণ মানুষ। এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে অবহেলা অথবা উপেক্ষা করা যাবে না। প্রবীণরা যাতে সমাজের অন্যদের মতই সচ্ছল স্বাভাবিক ও আনন্দময় জীবন যাপন করতে পারেন এবং পারিবারিক পরিবেশে বসবাস করতে পারেন সেই লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তাদের কল্যাণ ছাড়া পরিবার ও সমাজের মঙ্গল হতে পারে না। “বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রবীণ ও তাদের জন্য করণীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন দিনাজপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। গত বুধবার দিনাজপুর প্রেসক্লাবে হেলপ এইজ ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে প্রবীণদের জন্য আমরা - দিনাজপুর এবং প্রবীণ হিতৈষী সংঘ দিনাজপুর শাখা। প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সহ-সভাপতি মোঃ সিরাজউদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক কবি আফরোজা অদিতি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন হেলপ এইজ ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর নির্ঝরিনী হাসান। প্রবীণ নারী কবি আফরোজা অদিতি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন ৫৭ বছর বয়সের কোন মানুষের কর্মের স্পৃহা কমে না। কিন্তু তরুণদের জায়গা করে দেয়ার জন্য ৫৭ বছর বয়সেই প্রবীণদেরকে অবসরে যেতে হয়। অবসরে যাওয়ার পরেও প্রবীণরা যেন কর্মের মধ্যে যুক্ত থাকতে পারেন সেই লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ চৌধুরী মোঃ মোসাদ্দেক ইজদানী, সদস্য একেএম মেহেরুল্লাহ বাদল, অনন্যা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কানিজ ফাতেমা বেগম, মোঃ জাকারিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রবীণদের বিষয় সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করেন হেলপ এইজ ইন্টারন্যাশনালের শাওলী ঝর্ণা, প্রবীণদের জন্য আমরা দিনাজপুর-এর সদস্য সচিব এবং বহুব্রীহি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন। জাকির হোসেন জানান, অনন্যা সংস্থা, বহুব্রীহি, এইচইউপিকে এবং সিটিএস-এর ৪ সংগঠনের সমন্বয়ে দিনাজপুর জেলায় প্রবীণদের কল্যাণের লক্ষ্যে প্রবীণদের জন্য আমরা নামে একটি এলায়েন্স গঠন করা হয়। তিনি এলায়েন্সকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসইউপিকের নির্বাহী পরিচালক মোজাফফর হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কাম-টু-সেভ-সিটিএস’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম।