পেনশন নির্ণয়ের সময় মহার্ঘ্যভাতাসহ বিবেচনার আবেদন

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৯
২০০৯ সালে জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে সরকার চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসাবে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করা হয়েছে। পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে সময় লাগবে। তাই সাময়িক ব্যবস্থা হিসাবে সরকারের বর্তমান মেয়াদেই মহার্ঘ্যভাতা দেয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এই দুর্মূল্যের বাজারে চাকরিজীবীদের জন্য সিদ্ধান্তটি স্বস্তি এনে দিয়েছে। কিন্তু মহার্ঘ্যভাতা ঘোষণার পর পর যারা পেনশনে যাবেন তাদের পেনশন নির্ণয়কালে ভাতা নাম হওয়ার কারণে মহার্ঘ্যভাতার সুবিধা পাবেন না। চিরদিনের জন্য যারা চাকরি ছেড়ে চলে যাবেন তাদের প্রতি এটা চরম অবিচার। চাকরিতে থাকাকালীন যে আর্থিক সুবিধা ভোগ করছিলেন, চাকরি থেকে চলে যাওয়ার পর সে সুবিধা পাবেন না। সারা জীবন চাকরি করার পর বিদায়ী চাকরিজীবীর জন্য বিষয়টা কত বেদনাদায়ক তা শুধু পেনশনারগণই উপলব্ধি করতে পারবেন। মনে হয়, পেনশনে যাওয়ার পর থেকে পেনশনার হওয়ার কারণে তারা সবাই কনসেশন রেইটে বাজার করতে পারবেন। সরকার যদি ৩০% মহার্ঘ্যভাতা ঘোষণা করেন ২০,০০০ টাকা মূল বেতনের একজন চাকরিজীবী ২৬,০০০ টাকা বেতন পাবেন। পরের মাসে পেনশনে গেলে তিনিই ২০,০০০ টাকা বেসিকের ওপর ২৪,০০,০০০ টাকা কম্যুটেশন মানি (পেনশন) পাবেন। মহার্ঘ্যভাতাসহ পেনশন হিসাব করলে কম্যুটেশন মানি দাঁড়াবে ৩১,২০,০০০ টাকা। অর্থাত্ ৭,২০,০০০/- টাকা কম পাবেন। চিরদিনের জন্য যারা চাকরিহারা হবেন তাদের প্রতি সদয় হয়ে পেনশন নির্ণয়ের সময় মহার্ঘ্যভাতাসহ হিসাব করার বিদান রেখে মহার্ঘ্যভাতা ঘোষণার জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি। মো. মুজিবর হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম