ঈদ আসন্ন তবু স্থির হয়নি ব্যাংক ঋণ

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৩৭
কোরবানির ঈদ আসন্ন হলেও এখনো ব্যাংকগুলো চামড়া কেনার জন্য কি পরিমাণ ঋণ দেবে তা ঠিক করতে পারেনি। ফলে, তিন হাজার কোটি টাকার চামড়ার বাজার নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দেশের বিপুল সম্ভাবনাময়, শ্রমঘন এবং শতভাগ মূল্য সংযোজনকারী এ শিল্পের স্বার্থে চাহিদা মাফিক ঋণ প্রদানের দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। তাতে রফতানি আয় যেমন বাড়বে, তেমনি দেশীয় শিল্পেরও সুরক্ষা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদা মাফিক ব্যাংক ঋণ না পাওয়া এবং অন্যান্য সুবিধাদি তুলে নেয়ায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে রয়েছেন। ঋণ মঞ্জুর করা হলেও সময়মত ঋণ ছাড় না হওয়ায়ও সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই আগেভাগেই এধরনের সিদ্ধান্ত চান উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, বাংলাদেশের চামড়ার গুণগত মান ভালো হওয়ায় বিশ্ব বাজারে চাহিদা রয়েছে। এ কারণে কোরবানি ঈদের আগে ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রচুর পরিমাণে অগ্রিম ক্রয়াদেশ আসে। সংশ্লিষ্টরা বলেন, বছর জুড়ে দেশে যত চামড়া পাওয়া যায় তার ৬০ থেকে ৬৫ ভাগই পাওয়া যায় কোরবানির সময়। এজন্য এ সময় চামড়া কিনতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয়। সরকার প্রতিবছর যে পরিমাণ ঋণ দেয় তা পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, চাহিদামত ব্যাংক সহায়তা না পাওয়ায় গোটা সেক্টরের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাংকিং সূত্র জানায়, গত বছর চামড়া কেনার জন্য ব্যবসায়ীদের চাহিদা ছিল ৫২০ কোটি টাকার মত। কিন্তু দেয়া হয় ৩৩৬ কোটি টাকা।