প্রতি বছর বাঙালি সংস্কৃতি ও উত্সবকে কেন্দ্র করে নানা আয়োজনে ক্যাম্পাস মাতিয়ে রাখে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। দিন তারিখ ও মাস হিসেব করে কোনো উত্সব বাদ যায় না, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্সব পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন যেমন পালন করে, ঠিক তেমনি স্বাধীনতার চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারিতে তাদের কর্মসূচি থাকে। তাছাড়াও ইনহাউজ ইভেন্ট হিসেবে থাকে এনুয়াল কালচারাল ইভেন্ট। ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হক সামির, ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী মোঃ আবরার, জেনারেল সেক্রেটারি আশিক আহমেদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি ইকরামুল হক পাভেল, ট্রেজারার ওশিন ঘূর্ণি। এই কজনের অক্লান্ত পরিশ্রমে বেশ বড় পরিসরে শুরু হতে যাচ্ছে ‘সামার আনপ¬াগড’। প্রতিবার শুধু নর্থ সাউথের ব্যান্ডগুলোই এতে অংশ নিলেও এবার অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ব্যান্ড আসছে, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে নয়টি ব্যান্ড যাচ্ছে তাদের মধ্যে জেনারেশন ওয়াই, কোর-ই-ডোর, ক্যান্ডেল কারমাইন অন্যতম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাচ্ছে ছাই, এছাড়া অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বেশ কিছু ব্যান্ড যাচ্ছে যাদের মোট সংখ্যা পনের। এই ব্যান্ডগুলো ছাড়াও অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে জলের গান ও ওল্ড স্কুল। এটি নতুন উঠতি ব্যান্ডগুলোর জন্য এক বিশাল মঞ্চ, এখান থেকে তারা তাদের পরবর্তী ধাপে পদার্পণ করতে পারবে। ব্যান্ডগুলো যাতে শুধু ওয়েস্টার্ন হেভি মেটাল অনুসরণ না করে সেজন্য বেঁধে দেয়া হয়েছে এক নিয়ম, এখানে তাদের নিজস্ব গানের পাশাপাশি অবশ্যই রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল সংগীত, লালন, হাসন রাজা বা শাহ আবদুল করিম মধ্য থেকে যেকোনো একটি গান অবশ্যই করতে হবে।
ছবি: শাওকাত এ গালিব
