জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাচন কমিশন সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে ফেলেছে প্রায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। এর মধ্যে একটু সংশয় ছিল নির্বাচন নিয়ে। কারণ, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিলের ব্যাপারে আপত্তি করে নির্বাচন পেছানোর জন্য উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের দারস্থ হয়েছিলেন জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি ইউসুফ জামিল বাবু ও সাবেক বিসিবি পরিচালক মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী। গতকাল নির্বাচন নিয়ে সে সংশয় দূর হয়ে গেছে।
নির্বাচন পেছানোর এ আবেদন গতকাল নাকচ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে ওই দিন নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর কোনো বাধা নেই বলে বলছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধনী হিসেবে আগে থেকেই একটি মামলা বিচারাধীন আছে। এবার একই সঙ্গে সেই মামলার আপিলে পক্ষভুক্ত হতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর আবেদন নথিভুক্ত করা হয়েছে।
আদালতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক। মূল রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আমীর-উল ইসলাম। বিসিবির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রফিক-উল হক, রোকনউদ্দিন মাহমুদ, শেখ ফজলে নূর তাপস ও মেহেদী হাসান চৌধুরী।
সাবের হোসেনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিনউদ্দিন।
আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে, রিট আবেদনকারী পক্ষ নির্বাচনের তফসিল পরিবর্তন চেয়ে গত বুধবার আবেদনটি করেছিলেন।
সে আবেদন নাকচ হয়ে গেলেও সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী মূল মামলায় পক্ষ হতে চেয়ে যে আবেদন করেছেন, তা নথিভুক্ত করেছেন আদালত। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের করা বিসিবি গঠনতন্ত্রের সংশোধনী নিয়ে করা মূল মামলায় উচ্চ আদালতে সংশোধনীকে অবৈধ বলে রায় দেয়া হয়েছিল। সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মূলত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে বিবাদী করে মামলা করেছিলেন জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি ইউসুফ জামিল বাবু এবং সাবেক বিসিবি পরিচালক মোবাশ্বের হোসেন।
পরে ওই রায়ের বিপক্ষে আপিল আবেদন করে বিসিবি ও এনএসসি। এবার ইউসুফ জামিল বাবু ও মোবাশ্বের হোসেনের সঙ্গে সাবের হোসেন চৌধুরীও এই মামলায় সম্পৃক্ত হলেন।
