যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতরা ভোটার থাকতে পারবেন না

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৭
একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত এবং একই অপরাধে অভিযুক্তদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভোটার তালিকা (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল ২০১৩’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। একই সাথে পাস হয়েছে ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (সংশোধন) বিল ২০১৩’। গতকাল রবিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে রাতে এ দু’টি বিল পাস হয়। বিল দু’টি উত্থাপন করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ পাস করার প্রস্তাব করেন। বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিল দু’টির উপর জনমত যাচাই-বাছাই করার জন্য কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাব দিলেও তাদের অনুপস্থিতির কারণে এসব উত্থাপিত হয়নি। ভোটার তালিকা (দ্বিতীয় সংশোধন) বিলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) দণ্ডপ্রাপ্তদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ বিধান কার্যকর হলে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ কলাবরেটরস ( স্পেশাল ট্রাইব্যুনালস) অর্ডার ১৯৭২ (পি ও নম্বর ৮ অব ১৯৭২) অথবা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ (অ্যাক্ট নম্বর ১৯ অব ১৯৭৩) এর অধীনে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হলে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হতে পারবেন না। যদি আগেই নাম ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে থাকে তাহলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে। এদিকে ভোটার হিসাবে তালিকাভুক্ত নন এরূপ নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের বিধান এবং পরিচয়পত্রের তথ্যকে গোপনীয় ও তা বেআইনীভাবে প্রকাশকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে। এ বিধান রেখে ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (সংশোধন) বিল ২০১৩’ সংসদে পাস হয়।