বরিশালে ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের নামে লঞ্চ ভাড়া বেড়েছে

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৭
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরিশালে নৌ-পথে কৌশলে লঞ্চ ভাড়া বাড়িয়েছেন মালিকরা। ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের নামে যাত্রী প্রতি ডেকে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে ৫০ থেকে ২শ’ টাকা পর্যন্ত। কেবিনের ভাড়া ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। যদিও কেবিনের টিকিট ইতিমধ্যেই সব বিক্রি হয়ে গেছে বলে লঞ্চ কাউন্টার থেকে জানানো হয়েছে। বিআইডব্লিটিএ জানিয়েছে ১১ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল রুটসহ দক্ষিণাঞ্চলের ৩৮ রুটে বেসরকারি লঞ্চের স্পেশাল সার্ভিসে যাত্রী পরিবহন করা হবে। স্পেশাল সার্ভিস ঘোষণার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চ মালিক সমিতি জরুরি বৈঠক করে। ওই বৈঠকে এই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে লঞ্চ মালিকরা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অজুহাত তুলে কম ভাড়া নেয়ার ঘোষণা দিলেও কৌশলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডেকের যাত্রী ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২৫০ টাকা। অথচ বর্তমানে যাত্রী ভাড়া ২০০ টাকা। একইভাবে সোফার যাত্রী ভাড়া ৫শ’ টাকার স্থলে ৬শ’ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ৮শ’ টাকার পরিবর্তে এক হাজার থেকে ১২শ’ টাকা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সিঙ্গেল কেবিন ১৩শ’ টাকা, ডাবল কেবিন ১৮শ’ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার থেকে ২২শ’ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। লঞ্চ ভাড়া বৃদ্ধির ব্যাপারে লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বরিশাল চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু জানান, ঈদ মৌসুমে স্পেশাল সার্ভিসে ডাবল ট্রিপ দিতে হলে যাত্রী প্রতি ৫০ টাকা বেশি না নিলে খরচ পোষানো সম্ভব হবে না। যা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম বলে লঞ্চ মালিকরা জানান। এমভি কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌস জানান, মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও স্পেশাল সার্ভিসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম টাকা নেয়া হচ্ছে। ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে যাত্রীদের তেমন একটা কোন ক্ষোভ না থাকলেও কেবিনের টিকিট না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন যাত্রীরা। প্রতিদিন লঞ্চের কাউন্টারে শত শত যাত্রী টিকিটের জন্য ধর্না দিয়ে শূন্য হাতে ফেরত আসছেন।