গতকাল বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষীবাহিনী (বিএসএফ)-এর আঞ্চলিক পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল এগারটায় আখাউড়া সীমান্তে বিজিবি আইসিপি ক্যাম্পে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও আঞ্চলিক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আইয়ুব আনসারী, পিএসসি। বাংলাদেশ পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপ-মহাপরিচালক ও সেক্টর কমান্ডার, শ্রীমঙ্গল কর্নেল আবু সালেহ মো. গোলাম আম্বিয়া, ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার, কুমিল্লা, লে. কর্নেল মামুন-আল-মাহমুদ, উত্তর-পূর্ব আঞ্চলিক ডিরেক্টর, অপারেশন, সরাইল, লে. কর্নেল মো. আব্দুর রউফ, উপ-অধিনায়ক ১২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, সরাইল, মেজর শাহজাহান। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ত্রিপুরা সীমান্তরক্ষী বাহিনী ইন্সপেক্টর জেনারেল শ্রী রজনি কান্ত মিশ্রা। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, গোকুলনগর সেক্টর বিএস টালিয়া, উপ-ইন্সপেক্টর জেনারেল তেলিয়ামুড়া রাজিব সিনহা ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডেন্ট সায়াম কুমার।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পেশাগত যোগাযোগ আরো জোরদার ও সুসংহত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। তাছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা করা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে বিএসএফ ত্রিপুরার ইন্সপেক্টর জেনারেল রজনি কান্ত মিশ্রা বলেনঃ ত্রিপুরায় ফেনসিডিলের কারখানা আছে কি-না এটি আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। বিএসএফ সীমান্ত-নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে। দেশের অভ্যন্তরে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আছে। এটা তারা দেখবে। তবে আমরা সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেব। ত্রিপুরায় গাঁজা চাষের ব্যাপারেও তিনি খোঁজ-খবর নিবেন বলে জানান।
বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আইয়ুব আনসারী জানান, সীমান্তে অপরাধ, চোরাচালান যাতে না হয়, সীমান্তে যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে। মানব পাচার যেন না হয় এসব বিষয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিয়মিত যোগাযোগের অংশ হিসাবেই এই বৈঠক।
