তারাগঞ্জে সদস্যদের টাকা নিয়ে পালালো ভুয়া এনজিও কর্মকর্তা

আপডেট : ১৮ মে ২০১৯, ২২:৩৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া এনজিও খুলে সদস্যদের সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ওই ভুয়া এনজিওর অফিস সহকারীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে গত শুক্রবার জেল হাজতে পাঠিয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- অফিস সহকারী শাহনাজ পারভীন ও মাঠকর্মী মো. গাউসুল আজম মিষ্টু। তবে মূল হোতা ম্যানেজার আশরাফুজ্জামান পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে  গ্রেফতার করা যায়নি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রতারক চক্র তারাগঞ্জ উপজেলা সদরের কুর্শা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের জনৈক মোকছেদুল ইসলামের বাসা ভাড়া নিয়ে গ্রামীণ উন্নয়ন এন্টারপ্রাইজ নামে একটি এনজিও খুলে সহজ কিস্তিতে মোটা অংকের ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সদস্য সংগ্রহ করে। তিন সপ্তাহের মধ্যে এনজিওটি সদস্যদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় বাবদ আদায় করে। এদের মধ্যে কিছু সদস্যকে গত বৃহস্পতিবার প্রথম ঋণ দেওয়ার কথা বলে অফিসে ডাকা হয়। কিন্তু সারাদিন পার হওয়ার পরও তারা সদস্যদের ঋণ না দিয়ে টালবাহানা শুরু করলে কয়েকজন সদস্য তাদের মতলব টের পেয়ে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ওই এনজিও অফিসে যায়। এসময়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ম্যানেজার আশরাফুজ্জামান পালিয়ে যায়। ওই এনজিও অফিসে টাকা জমাকারী হামিদুল, শামীম, হাফিজার, বিজয়, পারুল বেগমসহ আরো বেশ কিছু সদস্য পুলিশকে অভিযোগ করলে পুলিশ অফিস সহকারী শাহনাজ পারভীন ও মাঠকর্মী গাউসুল আজম মিষ্টুকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে উপজেলার দোয়ালীপাড়া গ্রামের কাজল রহমান সঞ্চয় জমাদানকারীদের পক্ষে ওই ভুয়া এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে গত শুক্রবার জেল হাজতে প্রেরণ করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই জয়নাল আবেদীন জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়েছে। মূল হোতা আশরাফুজ্জামানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।