দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু :কী রে, তুই না কিছুদিন আগেও বলেছিলি যে নীলাকে বিয়ে করা তোর পক্ষে সম্ভব হবে না। তাহলে এখন যে বলছিস শীঘ্রই বিয়ে করবি। হঠাত্ করে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ কী?
দ্বিতীয় বন্ধু :কারণ হলো নীলা ডায়েট করা শুরু করেছে।
প্রথম বন্ধু :আশ্চর্য! ডায়েটের সাথে বিয়ের সম্পর্ক কী?
দ্বিতীয় বন্ধু :নীলা বলেছে ও বাকি জীবন শুধু সবজি খেয়েই থাকবে। তাই ভাবলাম ওকে বিয়ে করাটাই লাভজনক হবে...
প্রেমিক :এতদিন ধরে তোমার সাথে প্রেম করছি? আজ একটা কথা সত্যি করে বলবে?
প্রেমিকা :কী?
প্রেমিক :তোমার আগের প্রেমটা ভেঙে গেল কেন?
প্রেমিকা :সে আমাকে মিথ্যা বলেছিল। বলেছিল ও নাকি ‘হার্ট স্পেশালিস্ট’? আসলে সে শুধু ভালোবাসার কবিতা লিখে মেয়েদের পটানো ছাড়া আর কিছুই করত না!
বাবা :এতদিন ধরে তোমাকে এই ছেলের প্রতিটি বিষয় জানানো হলো, তুমি দেখা করলে, তোমার ভালোলাগার কথাও আমাদের জানালে, অথচ এনগেজমেন্টের আগের দিন এসে বলছ যে তুমি ছেলেটাকে বিয়ে করবে না!
মেয়ে :হ্যাঁ, বাবা ওর সবকিছুই তো ভালো লেগেছিল। কিন্তু আজ যখন ওকে প্রথমবারের মতো হাসতে দেখলাম তখন দেখি ওর সামনের দাঁত দুটো ভীষণ বিশ্রী। এ রকম বাজে দাঁতের একটা ছেলেকে তাই বিয়ে করব কি না ভাবছি।
বাবা :ও এই বিষয়। বিয়ের পর ও হাসার সুযোগ পেলে তো তুমি দাঁত দেখবে। তাই এ নিয়ে চিন্তা করো না।
