স্বর্ণ চোরাচালান করতে গিয়ে ধরা পড়া বিমানের কেবিন ক্রুকে ছেড়ে দেয়া হলো

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৩৩
সোনা চোরাচালান করতে গিয়ে আবার হাতেনাতে ধরা পড়লেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কেবিন ক্রু। মাস্কাট থেকে আনা ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণের বারসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মীরা গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানের জুনিয়ার পার্সার কামাল হোসেন নিহালকে আটক করেন। তবে এই স্বর্ণ আটক করা হলেও এর বাহক নিহালের বিরুদ্ধে কোন মামলা না করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এমনকি বিমান কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযুক্ত কেবিন ক্রুর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিমানের বিজি-০২২ ফ্লাইটটি গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাস্কাট থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। এই ফ্লাইটে জুনিয়ার পার্সার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন কামাল হোসেন নিহাল। অন্য কেবিন ক্রুদের সাথে তিনি বিমান থেকে নেমে নিজের ব্যাগ নিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তার গতিবিধি দেখে কর্তব্যরত শুল্ক গোয়েন্দা কর্মীদের সন্দেহ হয়। এরপর তার ব্যাগ স্ক্যান করা হলে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ২০ তোলা ওজনের দুটি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। একজন ঊর্ধ্বতন শুল্ক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যমান ব্যাগেজ বিধিমালায় কোন কেবিন ক্রু দায়িত্ব পালন শেষে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সময় ৩শ’ ডলার মূল্যের বেশি পণ্য আনতে পারেন না। তাদের স্বর্ণ আনারও কোন অধিকার নেই। উল্লেখ্য, বিমানের এক শ্রেণির কেবিন ক্রু দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। এর আগেও স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ কয়েকজন কেবিন ক্রু হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়ে। সাম্প্রতিককালে স্থানীয় বিমানবন্দরের কাস্টমস হলে বিদেশ থেকে আসা বিশেষ করে বিমানের কেবিন ক্রুদের শতভাগ ব্যাগ তল্লাশি করা হচ্ছে। কিন্তু এরপরও এই চোরাচালান বন্ধ হচ্ছে না।