দুর্নীতির মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তা ও ২ আমদানিকারকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের দায়রা জজ এসএম মুজিবর রহমানের আদালত এ পরোয়ানা জারি করে।
এই ১৩ জন হলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমসের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দীন নাগরী, কাস্টমস কর্মকর্তা সাজেদুল হক, বাহারুল আলম, আবুল হাশিম প্রধান, আবু হায়দার, একেএম ফজলুল হক, প্রভাষ চন্দ্র তরফদার, কাজল নন্দী, এনকে বড়ুয়া, আমিনুল ইসলাম, মাসুক আল হোসাইন এবং আমদানিকারক রুহুল আমিন ও ইমরান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে কাস্টমসের নিলামে অংশগ্রহণ করে ৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকায় একটি প্রভোক্স ভ্যান ও ওয়াগনের সর্বোচ্চ দরদাতা হন নগরীর মোহরা এলাকার মো. হাসান আলী।
সূত্র জানায়, তাকে গাড়িটি হস্তান্তর না করে তত্কালীন কাস্টমস কমিশনার শাহাবুদ্দিন নাগরী বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু করেন এবং এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এক পর্যায়ে ২৪ জুন কমিশনার বলেন, ৭ জুলাইয়ের মধ্যে আমদানিকারক গাড়িটি খালাস করতে পারবেন। অন্যথায় সেটি সর্বোচ্চ দরদাতাকে দেয়া হবে।
পরবর্তীতে হাসান আলী জানতে পারেন, গাড়িটি ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০ টাকায় আমদানিকারককে দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে হাসান আলী দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। দুদকের প্রধান কার্যালয় তদন্ত করে শাহাবুদ্দিন নাগরীসহ ১৩ জনের সম্পৃক্ততা পান।
