শান্তিতে নোবেল পেল ওপিসিডব্লিউ

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২১
রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেল অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপনস (ওপিসিডব্লিউ)। সম্প্রতি সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র বিপর্যয়ের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছিলো ওপিসিডব্লিউ। গতকাল শুক্রবার নরওয়ের নোবেল কমিটি এই পুরস্কার ঘোষণা করে। নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়, রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে বিশাল অবদানের জন্য ওপিসিডব্লিউকে এ সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর এক তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ওপিসিডব্লিউ’র মহাপরিচালক আহমেত উজুমচু বলেন, এটা এক বিশাল সম্মাননা। এর মাধ্যমে সংস্থার কাজ আরো জোরালো হবে। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারের হূদয় বিদারক ঘটনা এ ধরনের অস্ত্র নির্মূলে প্রচেষ্টা জোরদারের কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। এবারই প্রথম কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করেছে ওপিসিডব্লিউ’র কর্মীরা। নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক ওপিসিডব্লিউ ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ১৯০টি দেশ এই সংস্থার সদস্য। ওপিসিডব্লিউ জাতিসংঘের সংস্থা না হলেও নীতিগত বিষয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ দুই সংস্থার মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। কোনো দেশে রাসায়নিক অস্ত্রের বিষয়ে পরিদর্শন বা পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হলে জাতিসংঘ ওপিসিডব্লিউ’র সহায়তা নেয়। এ বিষয়ে ২০০০ সালে একটি চুক্তিও করে দুই সংস্থা। পুরস্কার বাবদ একটি সোনার মেডেল ও ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার) পাবে ওপিসিডব্লিউ। আগামী ১০ ডিসেম্বর অসলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার দেয়া হবে। চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়নের তালিকায় রেকর্ড ২৫৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ছিলো। পাকিস্তানে তালেবানদের হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া নারী শিক্ষার জন্য আন্দোলনকারী মালালা ইউসুফজাই’র নামও ছিলো এই তালিকায়। তার নোবেল পাওয়া নিয়ে গুঞ্জনও উঠেছিলো।