গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার নতুন জেগে ওঠা চর পাতিলবাড়িতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত গুচ্ছ গ্রামের ব্যারাক ঘর নির্মাণের ৬ মাস যেতে না যেতেই যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে ৭০টি পরিবারের জন্য নির্মিত ১৪টি ব্যারাকের মধ্যে ২টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ৮টি ব্যারাক ভাঙ্গন কবলে পড়েছে। যে কোন মুহূর্তে সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। ফলে ১০ ব্যারাকের মানুষ বর্তমানে আশ্রয়হীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লোকালয় থেকে ২ কিলোমিটার দূরে পাতিলবাড়ি চরে ৭০টি পরিবারের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ব্যারাক ঘরগুলোর চারপাশের বালু মাটি বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে। এছাড়া একেবারে নদী তীর ঘেঁষে ঘরগুলো নির্মাণ করায় গোটা ব্যারাকটি এখন ভাঙ্গন কবলে পড়েছে। ওইসব আশ্রিত পরিবারের শিশুর সংখ্যা শতাধিক।
এ উপজেলায় এ রকম নদী ভাঙ্গন কবলিত চরগুলোতে নতুন করে আরো ৯টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রস্তাব পাস হয়েছে বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বাবুল চন্দ্র রায় জানান, প্রকল্পের সার্ভেয়ারের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। পরে অনুমোদন পাওয়ার পর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যারাকগুলো নির্মাণ করা হয়। তিনি আরো জানান, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
