বাংলাদেশে চীনা রাষ্ট্রদূত লি জুইন আবারও চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সংলাপের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমেই সমাধানে পৌঁছাতে হবে। সমাধান নির্ভর করে এদেশের জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর। কারণ আপনারাই জানেন, এখন কি করণীয় আর এদেশের জন্য কি উত্তম। গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। চীন বাংলাদেশ স্টাডি গ্রুপ ‘বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক : আগামী দশকে সম্প্রসারণশীল অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ তসলিম প্রমুখ। বিআইআইএসএস-এর রিসার্চ ফেলো আশিক রহমান সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পেশ করেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে ও উন্নয়নের লক্ষ্যে চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো টেকসই হওয়া দরকার। এই সম্পর্ক কোন তৃতীয় দেশের স্বার্থে উন্নত হয়নি, হবেও না। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে, যদি চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য ইপিজেড নির্মাণ করা হয়। এতে চীনা বিনিয়োগ বাড়বে ও চীনের বাজারেও বিনিয়োগ বাড়বে। বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর নির্মিত হলে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিকভাবে আরো এগিয়ে যাবে। সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর হলে তা কেবল বাংলাদেশ নয়, পুরো অঞ্চলের স্বার্থে কাজে লাগবে।
বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান বলেন, বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সংযোগ দরকার। সামুদ্রিক অর্থনীতি, সমুদ্র পথ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীনা সহায়তা দরকার।
