ফসলি জমি ও মুক্ত জলাশয় রক্ষায় এগিয়ে আসুন

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৬
এই যে ঢাকাসহ সারা দেশের বড় বড় নগরীর আশপাশ এলাকার ফসলি জমি, মাছের চারণক্ষেত্র, মুক্ত জলাশয়, বিলাঞ্চল, অরণ্য ধ্বংস করে বাড়ি-ঘর, অফিস-আদালত, শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে একের পর এক। নদী, খাল-বিলও ভরাট চলছে সমানে— সেখানে হাউজিংয়ের নামে প্লটও বরাদ্দ চলছে প্রতিনিয়ত। ওদিকে খাল, বিল, নদীর তীর দখল করেও গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে দুই তীর থেকে বর্জ্য পদার্থ, আবর্জনা ফেলে দূষিত করে দেয়া হয়েছে বহু আগে নদীর জল। এখনও কি তা থেমে আছে! বুড়িগঙ্গার কাছে গেলে দুর্গন্ধে দাঁড়ানো যায় না। অথচ এসব নিয়ে কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখি না। এ নিয়ে কথা হতেই সেদিন এক বৃদ্ধ জানালেন, যারা বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনে বাধা দেয় তারা আদৌ দেশের উন্নয়ন চায় না। দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার কথা এরা আদৌ ভাবেই না। যদি ভাবতো তাহলে ওরা বড় বড় নগরীর আশে-পাশে ফসলি জমি, মাছের চারণক্ষেত্র মুক্ত জলাশয়, বিলাঞ্চল রক্ষায় এগিয়ে এসে সোচ্চার হতো, জানাতো প্রতিবাদ। কত না মানুষের চোখের সামনে ধ্বংস হয়ে গেলো রাজেন্দ্রপুর, ভাওয়াল, শ্রীপুরের অরণ্য— একদা এইসব বনে ছিল কত না বন্যপ্রাণী! আজ যেনো সব হারিয়ে গেছে। সবই ধ্বংস করে দিয়েছে দেশের কতিপয় মানুষ। এদের বিরুদ্ধে ওরা সোচ্চার হচ্ছে না কেন? জমি, মাছের বিচরণ স্থল ও মুক্ত জলাশয় রক্ষায় ওরা এগিয়ে আসুক। লিয়াকত হোসেন খোকন, ঢাকা