ঈদ-উল আজহার ১৮৬তম জামাত জেলার শোলাকিয়া ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের জামাতে ঈদ-উল ফিতরের তুলনায় মুসল্লীর উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা থাকায় দূর-দূরান্তের মুসল্লিরা সাধারণত এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে আসেন না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। এছাড়া প্রতিকূল আবহাওয়া এ বছর মুসল্লীদের অনুপস্থিতির অন্যতম কারণ। ঈদের আগের রাত থেকে শুরু করে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে মাঠও হয়ে পড়ে নামাজ আদায়ের অনুপযোগী।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, এ অবস্থায় শহর ও আশেপাশের এলাকার মুসল্লীরা এবার ঈদগাহে না এসে বাড়ি সংলগ্ন মসজিদেই নামাজ আদায় করেছেন। তবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়েছিল। মাঠের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আর্মড আনসার ব্যাটেলিয়ান, গোয়েন্দা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক প্রহরায় নিয়োজিত ছিল।
বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঈদের দিন মুসল্লীদের জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি ট্রেন ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে ভোরে আসা ও নামাজ শেষে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়। নামাজে খুতবা পাঠ, ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।
