নেপালের শাসন ব্যবস্থার ধরন নিয়ে দলগুলোর ভিন্ন ফর্মুলা

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৪
নেপালের নতুন সংবিধানে শাসন ব্যবস্থার ধরন অন্তর্ভুক্ত হবে। ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে নেপালের রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় এটি। নেপালের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল ইউসিপিএন (মাওবাদী), নেপালী কংগ্রেস (এনসি), সিপিএন-ইউএমএলসহ অন্য আঞ্চলিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। গতবারের গণপরিষদের সবচেয়ে বড় দল ইউসিপিএন (মাওবাদী) প্রস্তাব দিয়েছে সরাসরি নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হবেন নেপালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। দলটি দাবি করছে, সরাসরি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টই দেশে রাজনৈতিক স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে পারেন। ইউসিপিএন (মাওবাদী) এর মুখপাত্র অগ্নি সাপকোটা বলেন, আমরা সরকারের স্থায়ীত্বের জন্য সরাসরি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের প্রস্তাব দিয়েছি। আর নেপালী কংগ্রেস (এনসি) প্রস্তাব দিয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাহী হবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি পার্লামেন্ট থেকে নির্বাচিত হবেন। আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপতিও পার্লামেন্ট থেকে নির্বাচিত হবেন। এনসি ইউসিপিএনের সরাসরি নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ব্যবস্থার প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছে, প্রেসিডেন্ট স্বৈরশাসকে রূপ নিতে পারে। সরকারের ওপর পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণে পার্লামেন্ট ব্যবস্থা হল সবচয়ে উত্কৃষ্ট পন্থা। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল সিপিএন-ইউএমএল এমন একটি ব্যবস্থার কথা বলছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্টও সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন।