ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামী ৯ জুন থেকে মাঠ পর্যায়ে সারাদেশে কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। চলবে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সারাদেশের শহর ও পল্লী এলাকায় শস্য, মত্স্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ লক্ষে বিভাগীয় ও জেলা সমন্বয়কারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। গতকাল রবিবার তিনদিনের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. রইছউল আলম মন্ডল এবং কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, কৃষি শুমারির সমন্বয়ক ও বিবিএস এর মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. জাফর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরোর সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় বা অন্যকোনো সংস্থার তথ্যের ব্যবধান কমিয়ে আনতে হবে। যেমন : ধানের উত্পাদন ও বাস্তবতার হিসেবের মধ্যে ফারাক থাকে। সেটি কমিয়ে আনতে হবে। মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। খাদ্যশস্য উত্পাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দশম অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, পরিসংখ্যান বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। এজন্য সুন্দর একটি জায়গা খুঁজে বের করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ধারাবাহিকভাবে কৃষি শুমারির কার্যক্রম চলবে। দুই দফায় জোনাল অপারেশন শুরু হয়েছে। শুমারির প্রশিক্ষণ ১৯ মে থেকে শুরু হয়ে ১ জুন পর্যন্ত চলবে। আর মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে ৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. রইছউল আলম মন্ডল বলেন, কৃষিতে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদের ব্যাপক অবদান থাকলেও সেটির সঠিক হিসাব অর্থনীতিতে আসে না। আশা করছি কৃষি শুমারিতে এসব তথ্য যথাযথভাবে আসবে।
