বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে জারি করা রুলের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আজ মঙ্গলবার ধার্য করা হয়েছে। গতকাল সোমবার তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের সময় চেয়ে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করে।
গত ৬ অক্টোবর খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না- তা জানতে চেয়ে নোটিস জারি করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২১ অক্টোবরের মধ্যে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। কিন্তু গত রবিবার জবাব দেয়ার জন্য চার সপ্তাহের সময় চেয়ে আবেদন জানান তার আইনজীবী তাজুল ইসলাম।
এদিকে গতকাল ট্রাইব্যুনালে প্রবেশের পাস না দেয়ার অভিযোগে খন্দকার মাহবুব হোসেনের আইনজীবীরা গেট থেকে ফিরে যান। নির্ধারিত সময়ে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে এজলাস কক্ষে মাহবুব হোসেনের আইনজীবীরা উপস্থিত না থাকায় প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল দুপুর দুইটার পরে আদেশ দেবেন বলে জানান। দুপুরের পরে আইনজীবী তাজুল ইসলামকে ডেকে আনার জন্য জুনিয়র আইনজীবী তারিকুল ইসলামকে বলা হয়। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তাজুল ইসলাম এসে সময় চাইলে শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপিকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এই বিচার একটি প্রহসনের বিচার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার। এই বক্তব্যের পর গত ৩ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করে ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষ।
