বাগেরহাটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা বাবুসহ ৩৪৩ জনকে আসামি করে প্রতিপক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে। এ ঘটনার পর পুলিশি অভিযানের মুখে কু-কোড়ামারা, কোড়ামারা, বিষ্ণুপুর ও ডিংসাইপাড়া এলাকা পুরুষ-শূন্য হয়ে পড়েছে। এলাকায় ফের দুদলের সংঘর্ষের আশংকায় এখনো পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদুল কবির চৌধুরী জানান, সোমবার রাতে বাগেরহাট মডেল থানায় সদর উপজেলা কুলিয়াদাইড় গ্রামের কেরামত শেখের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১০৯ নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে দ্রুত বিচার আইনে এবং কু-কোড়ামারা গ্রামের আতিয়ার সরদারের ছেলে মুকুল সরদার বাদী হয়ে একই গ্রামের ওমর শেখকে প্রধান আসামি করে ৫৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত ৩০ জনকে আসামি করে মারপিট ও হামলার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে। জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম জানান, বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ উল্টো হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছে। রাতে পুলিশ বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কু-কোড়ামারা গ্রামে রবিবার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
