বাংলাদেশের মতো দেশে শিক্ষা গ্রহণের পর কর্মসংস্থান জরুরি। কিন্তু বাংলাদেশের গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মসংস্থান সম্ভব হয় না। তবে এনসিসি ও ইউনিভার্সিটি অব গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি অনার্স ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি বা বিএসসি অনার্স ইন আইটি বিষয়ে শিক্ষা লাভ করলে দ্রুত কর্মসংস্থান লাভের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। উল্লিখিত বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেকার খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত মুশকিলের একটি কাজ। বরং তারা প্রত্যেকেই উচ্চ বেতন ও সম্মান নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অথবা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত হয়েছেন।
তাছাড়া প্রতিটি ভালো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন হচ্ছে বিদেশে বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানিসহ ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন। তবে স্বপ্ন পূরণের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে বিপুল খরচ যা আমাদের দেশের তুলনায় প্রায় দশগুণ। তাই ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও সকলের পক্ষে বিদেশে গিয়ে পড়ালেখা সম্ভব হয় না। একদিকে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের প্রবল আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে আর্থিক অস্বচ্ছলতা; এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের লক্ষ্যে একটি সহজ সুযোগ সৃষ্টি করেছে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)। ৯১৩৮১৩৯, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩ নম্বরে ফোন করে এই কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। নিচেও এসব কোর্স সম্পর্কে তথ্যাদি দেওয়া হলো।
শিক্ষা পদ্ধতি :এ শিক্ষা ব্যবস্থায় বৃটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয় যুক্তরাজ্যে। এর যাবতীয় ক্লাশ অনুষ্ঠিত হয় ডিআইআইটিতে।
সার্টিফিকেট :এ শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিএসসি অনার্স ইন বিজনেস ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
ক্রেডিট ট্রান্সফার :যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে ডিআইআইটি থেকে ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ক্রেডিট ট্রান্সফার করে যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।
মান নিয়ন্ত্রণ :ডিআইআইটি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ, অভিজ্ঞ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ ফলাফল ও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যুক্তরাজ্যের এনসিসি এডুকেশন কর্তৃক বেস্ট পার্টনার ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।
ভর্তির যোগ্যতা :যেকোনো গ্রুপে এইচএসসি/এ লেভেল অথবা সমমান পাশ। তাছাড়া ৪ বছর মেয়াদি কম্পিউটার ডিপ্লোমাধারীরা দুই বছরে বিএসসি (অনার্স) ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে।
খরচ :সাড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা যা কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।
চাকরি সুবিধা :পাশকৃত গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের হার শতভাগ। তাছাড়াও ডিআইআইটির শিক্ষার্থীরা ড্যাফোডিল গ্রুপের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি, বেসরকারি ও ম্যাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছে। ডিআইআইটি’র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পরিচালিত সফটওয়্যার ফার্মে কাজ করার বিশেষ সুযোগের পাশাপাশি শিক্ষাকালীন আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।
ক্যাম্পাস সুবিধা :ডিআইআইটিতে রয়েছে আধুনিক লাইব্রেরি এবং বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই ক্যাম্পাস জোন ব্যবহারের সুবিধা। এ ছাড়াও রয়েছে শতাধিক কম্পিউটার সম্বলিত আধুনিক ল্যাব।
স্কলারশিপ সুবিধা :মেধাবী ও অস্বচ্ছলদের জন্য রয়েছে ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্কলারশিপের সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল শিক্ষকের সন্তান ও মেয়েদের জন্যও রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপ।
ভর্তির সেশন :ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটিতে বছরে ৪টি সেশনে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) এবং ২ টি শিফটে (সকাল ও সন্ধ্যা) ভর্তি নেওয়া হয়। চাকরিজীবীরা সান্ধ্যকালীন শিফটে অংশগ্রহণ করতে পারে।
যোগাযোগ :ডিআইআইটি, কনকর্ড রিজেন্সি, ১৯/১, পান্থপথ, কলাবাগান, ঢাকা।
