এএমই মানে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্সে ইঞ্জিনিয়ারিং। এ ধরনের লইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি উড়োজাহাজের সব ধরনের মান নিশ্চিত করে। বিশেষ করে অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না, সে সর্ম্পকে পাইলটরা সব ধরনের তথ্যপত্র নিয়ে থাকে তার কাছ থেকেই। উড়োজাহাজের যাত্রী এবং পাইলটদের জীবন এবং তাদের নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানোর অনেক কিছু নির্ভর করে এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারের উপরেই। কেননা সে যদি কোন ভুল তথ্য দিয়ে থাকে, তবে উড়োজাহাজ নিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানো দুরূহ হয়ে পড়ে। এই ডিগ্রির আরও কিছু নাম আছে। যেমন, অ্যারোনেটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, উড়োজাহাজ প্রকৌশলী ইত্যাদি।
প্রথম যখন উড়োজাহাজ চলা শুরু হয়েছে, তখন থেকেই প্রয়োজন হয়েছে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের। সময়ের সাথে সাথে এই প্রয়োজন বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশে এই বিষয়টি অনেকের জন্য নতুন মনে হতে পারে। এ বিষয়ে পড়ালেখা বা প্রশিক্ষণের খুব বেশি প্রতিষ্ঠানও আমাদের দেশে ছিল না কিছুদিন আগেও। তবে বিশ্বব্যাপী যখন এই বিষয়টিতে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে এবং রয়েছে সুন্দর ক্যারিয়ারের হাতছানি, তখন দেশেও এই বিষয়ে পড়ালেখা ও প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এমনই একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ক্যাটেক।
মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইন্সগুলো প্রচুর পরিমাণে এএমই নিয়োগ হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। ভারত, ফিলিপাইন, চীন থেকেই তারা সাধারণত জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। তারপরেও তাদের চাহিদা পূরণ হয় না। বাংলাদেশের তাই এই খাতে খুব ভালো করার সুযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে পারলে বিশ্বখ্যাত সব এয়ারলাইন্সগুলো আমাদের দেশ থেকেই জনবল নিয়োগ দিতে শুরু করবে, যা আমাদের জন্য বড় একটি সুযোগ। ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১, ০১৯২৬৯৬৩৬৫৫ নম্বরে ফোন করে এই খাতের ক্যারিয়ার সম্পর্কে আরও তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
এএমই লাইসেন্স পেতে ন্যাশনাল ডিপ্লোমা এবং হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে ক্যাটেক। কলেজটির প্রথম, দ্বিতীয় ব্যাচের কয়েকশ শিক্ষার্থী ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, জার্মান, আয়ারল্যান্ডসহ উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরি/ইন্টার্নি করছে।
এসএসসি/এইচএসসি, এ-লেভেল/ও-লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। চার বছরে অর্জন করা যায় এই ডিগ্রি। এর জন্য প্রথম ১৮ মাসে পাওয়া যাবে এনডি ডিগ্রি। পরের ১৮ মাসে অর্জন করা যায় এইচএনডি ডিগ্রি। এরপর আরও এক বছরে সম্পন্ন হবে টপআপ বিবিএ বা বিএসসি, যা সম্পন্ন হবে কিংস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই কোর্স শেষ করে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ পাবে। এর জন্য এনডি সম্পন্ন করতে ৩ লক্ষ টাকা এবং এইচএনডি সম্পন্ন করতে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আর টপআপ বিএসসি’র ফি প্রদান করতে হবে সেমিস্টারভিত্তিতে, কিংস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে।
যোগাযোগ :ক্যাটেক, উত্তরা, ঢাকা।
