আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় বিদেশি কূটনীতিকদের নানামুখী তত্পরতা অব্যাহত রয়েছে।
সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে দুই পক্ষকে অর্থবহ সংলাপে বসানোই এসব তত্পরতার উদ্দেশ্য। নির্বাচনকালীন সরকারের কাঠামো নিয়ে দুই পক্ষের দূরত্ব কমিয়ে আনতে প্রভাবশালী পশ্চিমা কূটনীতিকরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসাবে গতকাল বুধবার সকালে নয়াদিল্লি গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা। সেখানে দুইদিন অবস্থানকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকালে ড্যান মজীনা ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরনের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। এ দুটি ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচনের জন্য খুবই তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত মজীনা গত কয়েকদিনে কূটনীতিক ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে আলোচনা করেন। সরকার ও বিরোধী দলকে সমঝোতায় আনার চেষ্টা করছেন ড্যান মজীনাসহ অন্য পশ্চিমা কূটনীতিকরা। এদিকে গতকাল বিকালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান কানাডার হাইকমিশনার হিদার ক্রুডেনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
