শহর থেকে এক শিক্ষিত ভদ্রলোক গেছেন গ্রামে বেড়াতে। আর গ্রামে যেয়েই গ্রামের বড় পুকুরে সাঁতার কাটার লোভ সামলাতে পারলেন না। এদিকে তার হাতে আবার দামী একখানা ঘড়ি। এতো দামী ঘড়ি পুকুর পাড়ে রেখে সাঁতার কাটতে নামা ঠিক হবে কি না তাই ভাবতে যেয়েই একটা বুদ্ধি এলো তার মাথায়। পকেট থেকে চট করে একখানা কাগজ বের করে তাতে বড় করে তিনি লিখলেন, ‘মুষ্টিযুদ্ধে দু’বারের চ্যাম্পিয়ন’। তিনি ভাবলেন গ্রামের সহজ সাধারণ কোনো লোক এটা দেখলে নিশ্চয়ই ভড়কে যাবে। কিন্তু এই ভেবে নিশ্চিন্ত মনে সাঁতার কেটে উঠে তিনি আবিষ্কার করলেন তার ঘড়ি তো নেই-ই উল্টো সেখানে একটা কাগজ রাখা। আর কাগজের মধ্যে কাঁচা হাতের লেখা ‘দৌড়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন।’
ক্রেতা :বলেছিলেন গুলি ১০০ গজ যাবে, এখন দেখছি ৫০ গজ গেছে।
বিক্রেতা :বন্দুকটা তো দোনলা, দুটো মিলিয়ে তো ওই ১০০ গজই হয়।
ভক্ত :আপনার আত্মজীবনীটা পড়ে খুব ভালো লাগলো।
লেখক :তাই! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভক্ত :হুমম! তা এ রকম আরও কয়েকটা লিখুন না!
ফায়ারিং স্কোয়াডে নেওয়া হলো এক কুখ্যাত খুনিকে। যথারীতি মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা জানতে চাইলেন এক কর্মকর্তা। উত্তরে খুনিটি বলল,
:আমি যা চাই তা-ই কী দেবেন?
:হুমম! তোমার প্রাণ বাঁচানোর আবেদন ছাড়া যেকোনো কিছু চাইতে পারো।
:না মানে আমি যদি কোনো পোশাক পড়তে চাই?
:পোশাক চাইতে পারো, বল কী চাই?
:আমার শেষ ইচ্ছা হলো আমাকে একটা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট আর হেলমেট দেওয়া হোক!
