দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘নির্বাচনীকাল’ কমিয়ে আনার চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিদ্যমান আচরণ বিধিমালাতে এই সময়কাল ছিল ৯০ দিন। কিন্তু এখন তফসিল ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচনের সরকারি ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত এই সময় গণনা হবে। ইসি এ সময় কমিয়ে ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যে রাখতে আগ্রহী। এর ফলে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা সরকারি সুবিধা নিয়েই আরো কিছু দিন নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচনী সময় কমানোর বিষয়টি একাধিক নির্বাচন কমিশনার ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহিংসতা ও অনিয়মের দায়ভার এড়াতে নির্বাচনী সময় কমিয়ে আনার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। সেটা হলে তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই নির্বাচনী সময়ের গণনা শুরু হবে। অর্থাত্ ৪৫ থেকে ৪৩ দিন সময় দিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। গেজেট প্রকাশের আরো ১০দিনসহ এই নির্বাচনী সময় হতে পারে ৫৫ দিন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমার ধারণা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকেই নির্বাচন পূর্ব সময় নির্ধারণ বাস্তবসম্মত হবে।’
এদিকে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ বহাল রেখেই আগামী নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি তৈরি করা হচ্ছে। গত সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আচরণবিধি প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। আগামী রবিবার তা চূড়ান্ত করা হবে। আচরণ বিধি তৈরির কাজ শেষে তার খসড়া সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে। পাশাপাশি জনসাধারণের মতামত নিতে কমিশনের ওয়েব সাইটেও খসড়া আচরণবিধি প্রকাশ করা হবে।
