ভারতের কয়েকটি প্রধান শহরে পিয়াজের দামে ‘সেঞ্চুরি’ হয়েছে, অর্থাত্ কেজি প্রতি ১০০ রুপি ছুঁয়েছে। ভারতের ইতিহাসে এর আগে পিঁয়াজের দাম একশ রুপি স্পর্শ করেনি। সরবরাহ কম থাকায় ও নতুন পিয়াজ পৌছাতে বিলম্ব হওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার মহারাষ্ট্র সরকারকে ৯২২ কোটি রুপির প্রণোদনা দিচ্ছে। কারণ ভারতীয় পিঁয়াজের বিরাট অংশ উত্পাদন হয় মহারাষ্ট্রে।
কৃষিমন্ত্রী শারদ পাওয়ার জানিয়েছেন, আগামী ২-৩ সপ্তাহ পিয়াজের দাম চড়া থাকবে। এখন পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তা কার্যত মেনে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জ্যোতিষী নই। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিচার করে আমার মনে হয়, আগামী দু’-তিন সপ্তাহে পিয়াজের দাম কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।’
পিয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অস্বীকার করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংক্রান্ত আইন-এর আওতায় মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে বলেছে। পাকিস্তান থেকে শুরু করে চীন, ইরান ও মিসর থেকেও পিয়াজ আনার লক্ষ্যে আমদানির শর্ত শিথিল করার তোড়জোড় চলছে। চীন ও মিসরে ব্যাপক পিয়াজ উত্পাদন হয়েছে। ওই সব দেশে পিয়াজ এখন সস্তা। তবে দেশি পিঁয়াজের দাম কবে কমবে তা নিশ্চিত করেননি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। এবার ভারতে অতিবৃষ্টির ফলে বিপুল পিয়াজ নষ্ট হয়েছে। জম্মুতে পিয়াজের দাম কেজি প্রতি এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ রুপিতে পৌঁছেছে। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় শহর পাটনা ও জম্মুর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পিয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
