নবম দশম শ্রেণির ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:০৬
একাদশ অধ্যায় :ব্যাংকের আমানত ১। নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ্য কর এবং প্রশ্নগুরের উত্তর দাও: শৈলী ব্যাংক শৌখিন ব্যাংক সেবা দানের পদ্ধতি ও পণ্যসমূহ => সনাতন পদ্ধতি কম্পিউটার ব্যাংক ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ড এসএম্স পদ্ধতি এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু => ২০০৫ সাল ২০০৫ পরিচালনা ব্যয় (বছরপ্রতি) => ২ কোটি ২ কোটি লাভ => ৫০ লক্ষ ৮০ লক্ষ বর্তমানে শৈলী ব্যাংকের পরিচালকরা ‘শৌখিন ব্যাংক’ এর মতো সেবা চালু করতে চাচ্ছে। ক) কে ভালো বাণিজ্যিক ব্যাংককে তালিকাভুক্ত ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? ১ খ) কোন ধরনের হিসাব খুললে বিমার সুবিধাও পাওয়া যাবে? ব্যাখ্যা কর। ২ গ) সৌখিন ব্যাংককে কোন ধরনের ব্যাংকিং-সেবা চালু আছে? ব্যাখ্যা কর। ৩ ঘ) শৈলী ব্যাংক এ শৌখিন ব্যাংকের মতো সেবা চালু করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে কর। বিশ্লেষণ কর। ৪ সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর: ক. জ্ঞানমূলক কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। খ. অনুধাবন বিমা সঞ্চয়ী হিসাব খুললে বিমার সুবিধা পাওয়া যায়। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আমানতকারীদের এ হিসাবে জমা রাখতে হয়। এ জমাকৃত অর্থের ওপর প্রাপ্ত সুদের কিছু অংশ হতে প্রিমিয়াম বাদ দেয়ার পর আমানতকারীর নামে মোটা অঙ্কের বিমা করা হয় এবং গ্রাহক উক্ত বিমার সুবিধা ভোগ করে। গ. প্রয়োগমূলক কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রপতি আবির্ভাবের পর সাথে সাথে ব্যাংক ব্যবসায়েও উন্নতি ও আধুনিকায়নের আবির্ভাব ঘটাচ্ছে। এজন্য গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর কিছু বিশেষ পণ্য: উদ্দীপকে শৌখিন ব্যাংকে ইলেকট্রনিক ব্যাংক সেবা চালু আছে অর্থ হচ্ছে- ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংক ইত্যাদি। এসকল পণ্যদি ব্যবহার করে শৌখিন ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করার সুযোগ পাচ্ছে। এ সব পণ্য শৌখিন ইলেকট্রনিক ব্যাংকে রয়েছে যা দ্বারা সেবা পৌছানোর সম্ভব হচ্ছে । তাই পরিশেষে বরা যায়, শৌখিন ব্যাংকে ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং সেবা চালু আছে। ঘ. উচ্চতর দক্ষতা ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা এখন অনেক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা সনাতন ব্যস্থাপনার থেকে ধীরে ধীরে গ্রহকদের নিকট জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বর্তমান যুগে প্রতিযোগিতা মুলক বাজারে ই-ব্যাংকিং সেবা বাংলাদেশে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় ব্যাংকিং সেবা গ্রহণকারী গ্রাহকবৃন্দ দিনে দিনে এই সেবার দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আরও আগ্রহী হয়ে উঠেছে। শৈলী ব্যাংক যে ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে সেটি হলো সনাতন পদ্ধতি। কিন্তু আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যাংকি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে সনাতন পদ্ধতি নয় আধুনিক ইলেকট্রনিক পদ্ধতি শ্রেয়। সুতরাং পরিশেষে বলা যায়, শৈলী ব্যাংক শৌখিন ব্যাংকের মতো সেবা চালু করা সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।