রাজশাহীতে শেষ হলো কৃষ্ণ প্রেমিকদের মিলন মেলা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:১০
সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলিতে শেষ হলো কৃষ্ণপ্রেমিকদের তিনদিনের মিলন মেলা। প্রেমভক্তি মহারাজ নামে পরিচিত মহাকবি ঠাকুর শ্রী নরোত্তম দাসের স্মরণে চারশ’ বছররেরও বেশি সময় ধরে খেতুর গ্রামে হয়ে আসছে এই আয়োজন। স্রষ্টার আরাধনা, কৃষ্ণের নামজপ ও ভোগআরতি পালন করার মাধ্যমে শেষ হলো খেতুর গ্রামে এ স্মরণ উত্সব। ভক্তদের নাম প্রার্থনার মধ্যদিয়ে বুধবার রাতে প্রেমভক্ত নরোত্তম দাসের তিরোভাব মহোত্সব শুরু হয়। বৈষ্ণব ধর্মাচারে বিশ্বাসী দেশ-বিদেশের সন্ন্যাসভক্তদের পদচারণা আর অষ্টপ্রহর কীর্তন ও প্রসাদ গ্রহণে মুখরিত হয় মেলা প্রাঙ্গণ। বৈষ্ণব ধর্মযাজক শ্রী চৈতন্য দেবের ভাবশিষ্য শ্রী নরোত্তম দাস ১৫৩১ খ্রীষ্টাব্দে মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর প্রেমতলীর এই খেতুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শ্রী কৃষ্ণনন্দ দত্ত ছিলেন তত্কালীন গৌড় রাজ্যভুক্ত এ এলাকার ভূস্বামী। পিতা ভূস্বামী হলেও নরোত্তম দাস পছন্দ করেননি জমিদারীর বিত্ত-বৈভব। তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়সে সংসারের মায়া ত্যাগ করে পায়ে হেঁটে চলে যান ভারতের বৃন্দাবনে বৈষ্ণব ধর্মযাজক শ্রী চৈতন্য দেবের সান্নিধ্য লাভের আশায়। রাজশাহীতে কিশোরী মেলা অনুষ্ঠিত বাঘায় ‘কৈশোর সুরক্ষায় হব সচেতন’’ স্লোগানের মধ্যদিয়ে রাজশাহীর বাঘা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী কিশোর-কিশোরীদের মেলা। গত শুক্রবার এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা শাকিলা দিল হাছিন। ব্র্যাক প্রতিনিধি একে এম জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতা। বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহাবুবা সুলতানা, অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী দেওয়ান প্রমুখ। বক্তারা বলেন, কৈশোর মানবজীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সময় কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। অনেক সময় সঠিক জ্ঞানের অভাবে তাদের জীবন ভুল পথে পরিচালিত হয়। এ কারণে বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের সচেতন এবং সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সকলের। মেলায় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত কিশোর-কিশোরী ক্লাব, লাইফস্কিন বেইজড এডুকেশন, লাইভলিহুড প্রশিক্ষণ এবং কিশোর-কিশোরীদের জীবন-মান উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়।