নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৩টি মামলা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৪৯
১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গত শুক্রবার বিকালে জেলায় সহিংসতার ঘটনায় সুধারাম থানার পুলিশ পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করেছে। জামায়াত-শিবির ও বিএনপির ‘উচ্ছৃংখল’ কর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এসব মামলা দায়ের করা হয়। দ্রুত বিচার আইনে সুধারাম থানার এসআই ইকবাল হোসেন, বিস্ফোরক ও পুলিশের ওপর হামলায় এসআই জহির উদ্দিন ও এসআই আল বাকী বাদী হয়ে গতকাল শনিবার মামলাগুলো দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গুলিবিদ্ধ শিবিরের ৪ কর্মীসহ ১৭ জন ও যুবদলের ২ কর্মীকে ঘটনার দিন রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে পুলিশকে মারধর করে ছিনিয়ে নেয়া একটি শটগান গতকাল স্থানীয় পৌর বাজারের কালভার্টের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপর ২টি অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরদিকে জেলা শহর মাইজদীতে সহিংস ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল শহরের দোকানিরা সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অর্ধদিবস ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে। জেলা আওয়ামী লীগের নিন্দা নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এ ঘটনা ’৭১-এর বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। সহিংস ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে গতকাল নোয়খালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ এক সংবাদ সম্মেলন করে। সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম বলেন, শান্তির জেলাকে অশান্ত করতে এ ন্যক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও আগামী ২ নভেম্বর দুপুরে নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে প্রতিবাদ সভার ঘোষণা দেয়া হয়। সংশোধনী:গতকাল শনিবার ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় ‘নোয়াখালীতে ২০ পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত’ এ শিরোনামের প্রথম লাইনে জেলা শহর মাইজদীতে ১৮ দল, আওয়ামী লীগের ‘উচ্ছৃংখল’ কর্মী ভুলবশত ছাপা হয়েছে। এর স্থলে ১৮ দলের ‘উচ্ছৃংখল’ কর্মী ও আওয়ামী লীগের ‘বিক্ষুব্ধ’ কর্মী হবে। এ অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত।