আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ হরতাল প্রত্যাহার করে আলোচনায় আসার জন্য বিরোধী দলীয় নেত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দুই নেত্রীর ফোনালাপের পর জাতি আর হরতাল চায় না। আলোচনা করতে হলে আন্দোলনের আল্টিমেটাম ও হরতাল প্রত্যাহার করতে হবে। হরতাল প্রত্যাহার না করলে জাতির সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে তিনি (খালেদা জিয়া) সমাধান চান না।
গতকাল শনিবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহনগর আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। হরতালের নামে গাড়ীতে আগুন দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি আহবান জানিয়ে মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আপনি আপনার সন্ত্রাসী বাহিনীকে বলুন, গাড়ীতে আগুন দেয়া বন্ধ করুক। এভাবে আর সাধারণ মানুষের গাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করবেন না। আর যদি গাড়ী পোড়াতে খুব ইচ্ছা করে তাহলে নিজেদের গাড়ীতে আগুন দিন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে হানিফ বলেন, বিরোধী সন্ত্রাসীবাহিনী যাতে জনগণের জান -মালের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য আপনারা নিজ নিজ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে থাকবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, সংবিধানের মধ্যে থেকে আলোচনার মাধ্যমে আমরা শান্তির পথে যেতে চাই। এর আগে আপনি (খালেদা জিয়া) সংলাপের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন, এখনো আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা শান্তির পক্ষে আর বেগম জিয়া নৈরাজ্যের পক্ষে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, শুক্রবারের সমাবেশে খালেদা জিয়ার সৈনিকদের পাওয়া গেল না। পাওয়া গেল জামায়াত-শিবির। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বিএনপি জামায়াতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুুরী মায়া, সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ মজুমদার, ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, মুকুল চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. সেলিম প্রমুখ।
