JSCপরীক্ষার্থী বন্ধুরা ,শুভেচ্ছা নিয়ো। শেষ সময়ের প্রস্তুতি উপলক্ষে তোমাদের প্রশ্নের আলোকে থাকছে আজ কিছু গুরুত্বপূূর্ণ পরামর্শ। বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখলে তোমরা নিশ্চয়ই উপকৃত হবে।
উত্তর-১: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে বহুনির্বাচনী ও সৃজনশীল এ দুই ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে। বহুনির্বাচনী অংশে প্রতিটি অধ্যায় থেকে কমপক্ষে একটি করে প্রশ্ন থাকে। কাজেই তোমরা বহুনির্বাচনী অংশের জন্য ভালো করে পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আন্ডারলাইন করে বারবার অনুশীলন করবে।
উত্তর২:সৃজনশীল প্রশ্ন তোমাদের পাঠ্যবইয়ের সকল অধ্যায় থেকেই করা হবে। সেজন্য পাঠ্যবইয়ের সকল অধ্যায় ভালো করে পড়ে ,বুঝে এবং যে কোনো নতুন পরিস্থিতিতে পাঠ্যবই থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর অভ্যাস নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে। এটি কখনো মানচিত্র, সারণি, ডায়াগ্রাম, উদ্ধৃতি, মন্তব্য, চিত্র, ছবি ইত্যাদির মাধ্যমেও হতে পারে।
উত্তর-৩:উদ্দীপকটি সাধারণত হয় মৌলিক,সম্পূর্ণ নতুন এবং বাস্তব জীবনের সাথে সম্পর্কিত। তোমাদের কাজ হবে সুনির্দিষ্ট ধারণা খুঁজে বের করা। আর সে ধারণাটিকে পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করা। যেহেতু কোনো প্রশ্নই কমন পড়বে না সেহেতু অযথা নোট, গাইড ও মডেল পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর মুখস্থ করে সময় নষ্ট করো না। তবে প্রশ্নের ধরন বোঝার জন্য পত্রিকায় যে সকল মডেল প্রশ্ন ছাপা হচ্ছে সেগুলো দেখা যেতে পারে।
উত্তর-৪: তোমাদের পাঠ্যবইয়ে প্রতিটি অধ্যায় সংশ্লিষ্ট সন,তারিখ,নাম, বিভিন্ন সংজ্ঞা,বৈশিষ্ট্য,পটভূমি ইত্যাদি ভালো করে আয়ত্ত করার জন্য আন্ডারলাইন করে বারবার পড়বে। প্রয়োজনে লিখবে। গ্রুপ স্টাডির মাধ্যমে পারস্পরিক আলোচনা, প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। সময় স্বল্পতার জন্য পিতামাতা,ভাইবোন অথবা পরিবারের অন্যান্য সদস্য যারা তোমার কাজে সহায়তা করতে পারে তাদের কাছ থেকেও প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে এ কাজটি করা যেতে পারে।
উত্তর-৫:সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর করার আগে উদ্দীপকটি অবশ্যই পড়ে নেবে। তবে উদ্দীপকের গ ও ঘ নং প্রশ্নের উত্তর করার আগে উদ্দীপকটি বারবার পড়ে নেবে। তাহলে তুমি প্রশ্নের চাহিদা নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে। গ নং প্রশ্নের উত্তর যেন ঘ নং এর চেয়ে বড় না-হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।
উত্তর-৬: ছয়টি প্রশ্নের উত্তর যাতে লিখে শেষ করতে পারো সেভাবে সময়টাকে ভাগ করে নেবে। যে প্রশ্নগুলোর উত্তর তুমি ভালো পারো সেগুলো আগে লিখবে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত উত্তরপত্রে মানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে। মানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নিশ্চয়ই তুমি ভালো নম্বর পাবে। প্রথম থেকেই সময়ের প্রতি খেয়াল করে লেখা শুরু করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে। হাতের লেখা খারাপ হবার সম্ভাবনাটা অনেক কমে যাবে। ছোটো ছোটো বাক্যে সুন্দর করে সাজিয়ে-গুছিয়ে উত্তর করবে। প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ করে অবশ্যই খাতা রিভিশন দেবে।
উত্তর-৭:উদ্দীপকের আলোকে যে প্রশ্নগুলো করা হবে সে প্রশ্নের সমাধান খুঁজে বের করতে তোমাকে অবশ্যই পাঠ্যবইয়ে যেতে হবে। পাঠ্যবইয়ের আলোকেই উদ্ভূত সমস্যা তোমার সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ করে যার সমাধান করতে হবে। এ কারণে পাঠ্যবইয়ের মূল বিষয়টি তোমাকে ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে। তাহলে তোমার মূল বিষয়টি বুঝতে কোনো কষ্ট হবে না।
উত্তর-৮:তোমাদের পুরো বই ভালো করে পড়তে হবে। তবে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির ১,২,৩,৫,৬,৭,৮,৯,১০,১৩ এই অধ্যায়গুলো খুব ভালো করে পড়বে। মোটকথা তোমাদের কোনো অধ্যায় বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।
