শারীরিক ও মানসিক চাপ রাখবে না

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:২৯
যেকোনো পরীক্ষাই টেনশনের উদ্রেক করে। পরীক্ষা নিয়ে কিছুটা টেনশন কিংবা চিন্তা হওয়াটা দোষের কিছু নয়। পরীক্ষা নিয়ে কিছুটা টেনশন বা চিন্তাভাবনা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে বেগবান করে তোলে, পড়াশোনায় গতি ফিরিয়ে আনে। সবকিছু মিলিয়ে একটি পরীক্ষা পরীক্ষার্থীর ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপের সৃষ্টি করে। পরীক্ষাভীতি কেউ কেউ পরীক্ষা নিয়ে বাড়তি মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। এই মানসিক চাপ অনেক পরীক্ষার্থীকে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। পরীক্ষা নিয়ে টেনশন করেন না এমন পরীক্ষার্থী পাওয়া যাবে না। এই বিষয়টিকে বলা হয় পরীক্ষাভীতি। পরীক্ষা নিয়ে টেনশনের বিষয়টি নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। যেমন-যার প্রস্তুতি ভালো থাকবে তার টেনশনও কম থাকবে। প্রস্তুতি ভালো থাকার পরও কিছুটা টেনশন থেকেই যায়। কিন্তু অনেকে আছেন যারা অযথাই টেনশনে ভোগেন। প্রস্তুতি শত ভালো হওয়ার পরও এদের টেনশনের অন্ত নেই। এ রকম টেনশনকারীদের নিয়েই বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। তবে পরীক্ষা শুরুর পর পর যখন পরীক্ষাগুলো ভালো হতে থাকে তখন এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের টেনশন ক্রমান্বয়ে কমে যায়। যেভাবে নিজেকে চাপমুক্ত রাখবে নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে আস্থা ফিরে পাওয়ার পরই টেনশন আর থাকে না। আর এক ধরনের পরীক্ষার্থী আছেন যারা সব সময়েই সবকিছু নিয়ে একটু কম টেনশন করেন। এরা প্রকৃতিগতভাবেই এই টেনশনহীনতা অর্জন করে থাকেন। এরা অল্প প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষা ভালো করে কারণ এরা যা জানে তা পরীক্ষার খাতায় লিখে আসতে পারে। আর পরীক্ষাকলীন সবসময় ফুরফুরে মেজাজে থাকার চেষ্টা করবে। খাওদাওয়া, ঘুম, ঠিকঠাকমত করবে।সময় ফেলে বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গ্রুপস্টাডি করতে পার। গ্রুপস্টাডি অযথা টেনশন থেকে বিরত রাখে। পরীক্ষা চলাকালীন স্যারদের সাথে যোগাযোগ রাখতে চেষ্টা করবে।