মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর ২০০৯ সালে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৫৭ বছর থেকে ৫৯ বছর করা হয়। পরে ২১-১১-২০১২ তারিখে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৫৭ বছর থেকে ৫৯ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ১ বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করা হয়। সম্প্রতি সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছর করার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন।
সরকারি চাকরিজীবী অর্থাত্ এমএলএসএস থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সকল শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ঢালাওভাবে ৬০ বছর করা হলে সরকার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাছাড়া অবসরভাতার প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা মার্কেটে না আসায় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এর জন্য সারাদেশে জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ে ধস নেমেছে।
বেশকিছু সুবিধাভোগী আমলা তাদের চাকরির বয়সসীমা ৬০ বছর করার জন্য চেষ্টা-তদবির করে যাচ্ছেন। এদিকে চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা না বাড়িয়ে অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির ফলে নবপ্রজন্মের লাখ লাখ বেকার যুবক হতাশায় নিমজ্জিত হবে। যাদের বয়স ৩০ পার হতে যাচ্ছে এমন খবরে তারা খুবই হতাশ। শেখ হাসিনার সরকার নতুন প্রজন্মের চাকরি দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন তার নির্বাচনী ইশতেহারে।
চাকরির বয়স বৃদ্ধির একান্ত প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে চাকরিতে ঢোকার বয়সও বাড়ানো প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শুভ রহমান,
৪৭/১ চামেলীবাগ, ঢাকা
