বিরোধীদলের টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বিঘ্নিত হচ্ছে। হরতালের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবস্থা করতে না পারায় পণ্যসমূহ বন্দর থেকে ছেড়ে যেতে পারছে না। একইভাবে রপ্তানি পণ্যও বন্দরে প্রবেশ করা এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বন্দরের জেটিতে আসা জাহাজসমূহকে কন্টেইনার বা পণ্য ছাড়াই ছেড়ে যেতে হচ্ছে। এতে রপ্তানিকারকগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একইভাবে চট্টগ্রাম বন্দর এবং জাহাজ কোম্পানীগুলোও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে শিপিং এজেন্সীসমূহ জানান। তবে চট্টগ্রাম বন্দরসংলগ্ন ২/৩টি প্রাইভেট আইসিডিতে পূর্ব থেকে রপ্তানির জন্য থাকা পণ্য ভর্তি কন্টেইনারসমূহ রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।
টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য ভর্তি কন্টেইনার কিংবা অন্যান্য পণ্য খালাস করা যাচ্ছে না। ফলে বন্দরে বিপুল সংখ্যক কন্টেইনার ভর্তি পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের স্তূপ জমেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বন্দরে পণ্যবোঝাই কন্টেইনারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ১৬৩টি। চট্টগ্রাম বন্দরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা আশংকা করে বলেছেন আজ মঙ্গলবার বন্দরে কন্টেইনার সংখ্যা ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করতে পারে। অপরদিকে হরতাল কর্মসূচি বর্ধিত হলে নিশ্চিতভাবে বন্দরে অচলাবস্থা দেখা দেবে।
জানা যায়, স্বাভাবিক অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার থাকে দুই হাজারের কিছু বেশি। হরতালের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পৌঁছালেও আমদানিকারক কিংবা তাদের নিয়োজিত সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান পণ্য খালাসের জন্য ইন্ডেন্ট দিচ্ছে না।
