গুলশানে আবাসিক প্লট বাণিজ্যিক ব্যবহারে সহায়তার অভিযোগ

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৩৭
রাজধানীর গুলশানে আবাসিক প্লট বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারে সহায়তা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তিন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। তিনটি মামলাতেই রাজউকের তিন কর্মকর্তা আসামি হিসেবে রয়েছেন। তারা হলেন রাজউকের মহাখালী জোনের অথারাইজড অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম, ইমারত পরিদর্শক নাজমুল হক ও প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. মোসলেম উদ্দিন। এছাড়া অন্যরা হলেন গ্রেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক আমীর আহমেদ নেওয়াজ, কানাডিয়ান ট্রিনিয়াম স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুর রহমান এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহূত প্লটের মালিক মিসেস জেবা আলী। দুদক সূত্র জানায়, আসামি হিসেবে অভিযুক্ত রাজউকের ওই তিন কর্মকর্তা অসত্ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে আর্থিক লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে গুলশান আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে স্কুল পরিচালনা করায় সহায়তা করেছে। এমনকি তাদের দায়িত্ব অবহেলা করে বাণিজ্যিকভাবে স্কুল পরিচালনা সংক্রান্ত কোন প্রতিবেদন রাজউকে জমা দেয়নি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে মামলাগুলো দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। উল্লেখ্য, দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম অভিযোগ অনুসন্ধান করেছেন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।