প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট অঞ্চলে বৈধ এজেন্সির চেয়ে অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সির সংখ্যাই বেশি। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) -এর সিলেট শাখা সূত্র জানায়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন আছে সিলেটের দুইশ প্রতিষ্ঠানের। নিবন্ধন ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সির সংখ্যা আরো কয়েকশ।
আটাব সিলেট অঞ্চলের সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল বলেন, অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সির কারণে অনেকেই সর্বস্ব হারিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ পথে গিয়ে প্রাণ দিতে হচ্ছে অনেককে। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ এজেন্সি ও মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তথ্য দিয়েছি। আলোচিত ‘ইয়াহইয়া ওভারসিজকে’ আটাবের সদস্যপদ দেওয়া হয়নি বলেও জানান জলিল।
এদিকে ভুয়া ট্রাভেল এজেন্সি ও দালালদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সাগরপথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ভুয়া ট্রাভেল এজেন্সি ও দালালদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
আটাব জানায়, ২০১৮ সালে সিলেট নগরে এমন ৭৪টি অবৈধ এজেন্সির তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল আটাব। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সিলেট সিটি করপোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে ১৫০টি ট্রাভেল এজেন্সির। অথচ নগরীর ভেতরেই তিন শতাধিক ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে বলে জানায় আটাব। দুর্ঘটনার পর প্রশাসন সিলেটে অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সি খুঁজে বের করতে পাঁচটি টিম মাঠে নামায়। এ পর্যন্ত ৩২টি ট্রাভেলস এজেন্সিকে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে জরিমানা ও আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছে।
