প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জঙ্গি-সন্ত্রাস ও মাদকের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চেয়ে বলেন, সবাই মিলে দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে। গতকাল রবিবার গণভবনে ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাংলাদেশ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে। আপনারা সবাই দোয়া করবেন বাংলাদেশের জন্য, দেশের জনগণের জন্য। আমরা যেন জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে পারি, বাংলাদেশকে যেন সেই জায়গায় নিয়ে যেতে পারি।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সবাইকে রমজানের মোবারকবাদ জানান। একই সঙ্গে চোখের অপারেশন হওয়ায় চিকিত্সকের বারণ থাকায় প্রথম রোজায় সবার সঙ্গে ইফতারে অংশ নিতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে সবার কাছে দোয়া চান প্রধানমন্ত্রী।
এতিম ও প্রতিবন্ধী শিশু, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, আলেম-উলামা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি ও জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহতসহ আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে গতকাল ইফতার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য দোয়া কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সব সদস্য, জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদসহ দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বায়তুল মোকাররম মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মওলানা মিজানুর রহমান মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ুও কামনা করা হয়।
ইফতার শুরু হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। এরপর তিনি উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। শেখ হাসিনা ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়া এতিম ও প্রতিবন্ধী শিশুদের স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন।
