আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। বিএনপি চাইলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে অংশগ্রহণ করতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৪ জানুয়ারী পর্যন্ত সরকার ও সংসদ বহাল থাকবে।
গতকাল বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কৃষক লীগের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে। তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে আর আলোচনার সুযোগ নেই। তত্ত্বাবধায়ক দাবি নিয়ে নয়, নিঃশর্ত আলোচনা করতে চাইলে আওয়ামী লীগ সব সময় প্রস্তুত। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিয়ে আলোচনা করার আর কোন সুযোগ নেই।
‘সংলাপের জন্য আবার সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে’ মর্মে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আলোচনার সুযোগ আপনারাই নষ্ট করেছেন। সংলাপ চাইলে বিএনপিকে এখন উদ্যোগ নিতে হবে।
বিরোধী দলের সম্প্রতি ৬০ ঘণ্টার হরতালে মানুষ হত্যার দায় বিরোধী দলীয় নেত্রীকেই নিতে হবে উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া যদি প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে হরতাল প্রত্যাহার করতো তাহলে প্রাণহানি হতো না।
খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জক বলেন, যতই হরতাল দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হোক, কোন লাভ হবে না।
কামরুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানের আইএসআইয়ের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বিএনপি বাংলাদেশকে ধ্বংস, অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করছে।
কৃষকলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, একেএম রহমত আলী এমপি, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুইট প্রমুখ।
