সর্দারজি :দ্যাখ দেখি কাণ্ড! কাল আমার বিয়ে। এদিকে মেয়েবাড়ি থেকে বলেছে বরযাত্রায় খুব বেশি লোক না নিতে। খুবই টেনশনে আছি।
সান্তা সিং :কেন? টেনশনের কী আছে?
সর্দারজি :বাবা আমাকে নিয়ে যাবেন কি না কে জানে!
শিক্ষক :তুমি হোমওয়ার্ক করনি কেন?
ছাত্র :স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। আপনি হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।
হরিপদ বেজায় কৃপণ। একদিন তার বাড়িতে হাজির হলেন তার বন্ধু শশধর।
শশধর :কিরে হরিপদ, তোর বাড়িতে এলাম, কিছু খাওয়াবি না?
হরিপদ :কী খেতে চাস, বল। ঠান্ডা, না গরম?
শশধর :নিয়ে আয়। ঠান্ডা গরম দুটোই খাব।
হরিপদ হাঁক ছাড়লেন, ‘কই রে জগাই, ফ্রিজ থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি আর চুলা থেকে এক গ্লাস গরম পানি নিয়ে আয়!’
বিল্টু এক সকালে দোকানের একটা সাইকেল দেখিয়ে বলল, ‘আঙ্কেল, আপনাদের এই সাইকেলটা কি রাত পর্যন্ত থাকবে?’
দোকানদার :নিশ্চয়ই। কিন্তু কেন?
বিল্টু :কারণ, আমি এখন বাড়ি গিয়ে সাইকেলটা কেনার জন্য কান্নাকাটি শুরু করব। দুপুর নাগাদ বিরক্ত হয়ে মা আমাকে মারবেন। সন্ধ্যা অবধি আমার কান্না থামবে না এবং বাধ্য হয়ে রাতে বাবা আমাকে সাইকেলটা কিনে দেবেন।
