বাবা দিনমজুর, বড় ভাই রাজমিস্ত্রি। সম্পত্তি বলতে ছয় শতকের বসতভিটা, তাও আবার মহাজনের কাছে বন্ধক। এমন এক পবিরাবের সন্তান মোমিনুল হক, এবার মেডিক্যালে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। মোমিনুলের এমন সাফল্যে পরিবারের সবাই আনন্দে আত্মহারা। হাতে টাকা না থাকায় এলাকার লোকজনের চাঁদায় মেডিক্যাল কলেজে ভর্িত পর্ব পার হলেও পড়ালেখা চালানোর খরচ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের পাহাড়ভাঙ্গা গ্রামের স্কুলপাড়ার বাসিন্দা আবুল কাশেম। তাঁর তিন ছেলের মধ্যে মোমিনুল মেজো। বড়ভাই মোখলেছুর রহমান রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। ছোট ভাই মুরাদ হোসেন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।
মোমিনুল বললেন, সকলের সহযোগিতায় মেডিক্যালে ভর্তিতো হয়েছি, কিন্তু পড়ার খরচ চলবে কিভাবে একথা ভেবে বাবা-মাসহ সকলেই পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। আমি তাদের বলেছি, নিজে পড়ার খরচ জুগিয়ে নেব ঠিকই। যদিও জানি পড়ালেখা করে এ কাজটা করা বড়ই কষ্টকর।
মোমিনুলের মা মনোয়ারা বেগম জানান,অভাবের কারণে মোমিনুল কতদিন না খেয়ে স্কুলে গিয়েছে ঠিক নেই। ওকে ডাক্তারী পাস করাতে পারলে আমাদের জীবন ধন্য হবে। মোমিনুল জানালেন,চিকিত্সক হতে পারলে তিনি গরীব রোগীদের বিনা পয়সায় চিকিত্সা দেবেন।
