হরতালে সহিংসতার আশঙ্কা

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২২:২৯
রাজধানীর কয়েকটি স্পটসহ বেশ কয়েকটি জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া ৬০ ঘন্টার হরতালে ব্যাপক সহিংস ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী ও সংশ্লিষ্ট জেলায় নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১৮ দলীয় জোটের এর আগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে যেসব স্থানে বেশি সহিংস ঘটনা ঘটেছে সেগুলো এবং পুলিশ-র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নিজস্ব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি জেলাকে হরতালে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় গত কয়েকদিন ধরে ওইসব এলাকায় নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে সহিংসতা সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের গ্রেফতারে চালানো হয় অভিযান। পুলিশ ও র্যাবের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে তেমন মাথা ঘামাচ্ছেন না। তাদের ভয় ও শঙ্কা জামায়াত-শিবিরকে নিয়ে। একটি গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীসহ ২১ জেলায় হরতালে জামায়াত-শিবির নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে বৃহত্তর নোয়াখালী ও বগুড়ায় বিএনপি সহিংস ঘটনা ঘটাতে পারে। গতকাল দিনভর এবং রাতেও এসব এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এদিকে হরতালে জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ-র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে শীর্ষ প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে হরতালকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশব্যাপী গতকাল সন্ধ্যা থেকে র্যাব-পুলিশ অভিযান শুরু করে। গতকাল বিকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে যানবাহন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজি হয়েছে। এর পরপরই রাজধানীর ৪৯টি থানার পুলিশ সদস্যরা ও র্যাব ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে। জামায়াত-শিবিরের সম্ভাব্য অবস্থানে চালানো হয় অভিযান। গভীর রাত পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন মহানগর পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে শতাধিক গ্রেফতার হয়েছে।