সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৩, ২১:০৫
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময় হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে এ সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ৭ জন এবং আওয়ামী লীগের ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এদিকে আজ উভয় দলের সমাবেশ আহবানের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১৮ দলীয় জোটের ৬০ ঘণ্টার হরতালের সমর্থনে স্থানীয় এমপি মোস্তফা কামাল পাশার নেতৃত্বে গতকাল সন্ধ্যায় মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলটি উপজেলা সদরের দিকে আসার পথে আওয়ামী লীগ, যুবলীগের সশস্ত্র কর্মীরা এর ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময় শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষই দেশীয় বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কমপক্ষে ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উপজেলার পৃথক স্থানে সমাবেশ আহ্বান করেছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। রামপালে সংঘর্ষে আহত ৭ বাগেরহাট প্রতিনিধি ও রামপাল সংবাদদাতা জানান, রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সাথে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের কয়েক দফা মারামারি হয়েছে। উভয়পক্ষে অন্তত ৭ জন জখম হয়েছেন। এ সময় জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকরা ঐ গ্রামের ভুঞারকন্দর উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের অন্তত ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদের একটি প্লাকার্ড ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটে।