পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা মামলার রায় প্রদানকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালত ঘিরে ছিল চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ-র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৫শ’ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। পাশাপাশি ছিল ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি। নামানো হয়েছিল ডগ স্কোয়াড। এছাড়া বকশিবাজার, লালবাগ, বংশাল, চকবাজার ও আজিমপুর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়।
বকশিবাজার মোড় থেকে আদালতে প্রবেশকারীদের দেহ তল্লাশি করে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়। এভাবে তিন দফা চেকিংয়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ হয়। আশপাশের ভবনগুলোতেও ছিল র্যাব-পুলিশ মোতায়েন। আর আদালতের চারপাশে ছিল র্যাব-পুলিশের বিশেষ টহল। আগের দিন সন্ধ্যা থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়।
লালবাগ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুনুর রশীদ বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। অপরদিকে হরতালের মধ্যে হচ্ছে এ মামলার রায়। এই বিষয়গুলো সামনে রেখে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বিচার কার্যক্রম চলাকালে প্রতিদিন দেড় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হত। র্যাব সদর দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা মনিটরিং করেন।
